![]() |
health
tips, beauty tips & recipe |
কথায় বলে ‘শরীর ফিট তো আপনি হিট’। আর তাই শরীরটাকে ফিট রাখতে দরকার শরীরচর্চার। সুস্থভাবে বাঁচার জন্য নিয়মিত শরীরচর্চা করা উচিত। তবে কখন করতে হবে আর কখন করা যাবে না, অনেকেই জানেন না। শারীরিক সুস্থতা বজায় ও শরীরের ওজনের ভারসাম্য রাখার ক্ষেত্রে ব্যায়াম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এছাড়া শরীরের হাড়ের দৃঢ়তা বজায় রাখা, মাংসপেশীর সবলতা এবং অঙ্গপ্রত্যঙ্গসমূহের স্বাভাবিক চলনক্ষমতা বজায় রাখতে ব্যায়াম উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখে । নিয়মিত এক্সারসাইজ/ব্যায়ামের কিছু কিছু উপকারিতা একেবারে হাতেনাতেই পাওয়া যায়। যেমন সাইকেল চালিয়ে ঘাম ঝরালে আপনার মুড কম সময়েই ভালো হয়ে যাবে ভালো খাবার এবং ঘুম আপনাকে মানসিক ভাবেও সুস্থ রাখবে।
কি কি উপাযে ব্যায়াম করা যায় : সাধারনত ব্যায়ামকে তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়।
১। সাধারন ব্যায়াম : কোনো কিছুর সাহায্য ছাড়া যে ব্যায়াম করা হয় তাকেই আমরা সাধারণ ব্যায়াম বলতে পারি। সাধারণ ব্যায়াম এর মধ্যে রয়েছে- খালি হাতে ব্যায়াম, ছাদে বা খোলা আঙ্গিনায় হাঁটাহাঁটি, মেঝেতে দাঁড়িয়ে হাত-পা দ্বারা ব্যায়াম করা প্রভৃতি সাধারণ ব্যায়ামের আওতাভুক্ত।
২। . যোগা ব্যায়াম : বিশেষ নিয়মের মাধ্যমে যোগ ব্যায়াম করা হয়। প্রাচীনকালে সাধকরা এই ব্যায়াম রীতি আবিষ্কার করেন। সাধকরা বিভিন্ন রকমের যোগাসনে বসে এই ব্যায়াম করতেন।
এই ব্যায়াম শরীরের যেমন অনেক উপকার হয় তেমনি মানসিক বিকাশ ঘটে পরিপূর্ণ রূপে। এটিই হচ্ছে সর্বাধিক নির্ভরযোগ্য ব্যায়াম যা শরীরের প্রতিটি অঙ্গ- প্রতঙ্গ, পেশী, অস্তিগুলোকে সুস্ত সজীব ও কার্যকর এবং সক্রিয় রাখতে সাহায্য করে। তাই যোগ ব্যায়ামের গুরুত্ব অধিক। যোগ ব্যায়ামকে ব্যায়ামের মধ্যে সেরা ব্যায়াম বলা যেতে পারে। যোগ ব্যায়াম খুবই একটা সহজ নয়। এটি নিয়ম- কানুনের মধ্যে করতে হয়। সুতরাং বেশ জটিলতাও বটে।
৩। যান্ত্রিক ব্যায়াম : বিশেষ যন্ত্র বা কোনো কিছুর সাহায্যে যে ব্যায়াম করা হয়ে থাকে তাকে বলা হয় যন্ত্রের সাহায্যে ব্যায়াম বা যান্ত্রিক ব্যায়াম। আজকাল ব্যায়ামের জন্যে বহুবিধ যন্ত্র আবিস্কৃত হয়েছে। এসব যন্ত্র দ্বারা হাত, পা, পেটসহ শরীরের বিভিন্ন মাংশপেশীর ব্যায়াম করা যায়।
v ব্যায়াম করার পর যে খাবার গুলো খাওয়া উচিৎ : ব্যায়াম করার আধঘণ্টার মধ্যেই মাসলের পুষ্টির জন্য প্রোটিন খাওয়া উচিত কার্বোহাইড্রেট, ফ্যাট, মিনারেল সব থাকা প্রয়োজন
১। কার্বোহাইড্রেট :
ফল (যে কোনও মরশুমি ফল হতে পারে) তাছাড়া,
ওটস, কিনওয়া, বাজরা, হোল গ্রেন পাউরুটি, রুটি, লাল চালের ভাত ইত্যাদিতে প্রচুর পরিমানে কার্বোহাইড্রেট আছে।
২। প্রোটিন
দুধ, ছানা, দই, ডিম, চকোলেট দেওয়া দুধ
চিকেন, মাছ, টোফু, পিনাট বাটার
৩। ফ্যাট
অ্যাভোকাডো, বাদাম, ফ্ল্যাক্সসিড, যে কোনও বাদাম
v ব্যায়ামের সময়
সকালে ঘুম থেকে উঠেই ব্যায়াম করা যেতে পারে। দীর্ঘ সময় ঘুমের পর সকালে ব্যায়াম সারা দিন ফুরফুরে রাখতে পারে।
এ ছাড়া সন্ধ্যার আগে বিকেলটাও ব্যায়াম করার জন্য উপযুক্ত সময়
Brought
to you by health tips, beauty tips & recipe
আরো
জানতে ভিজিট করুন
health tips, beauty tips & recipe

No comments:
Post a Comment