![]() |
health
tips, beauty tips & recipe |
মানব দেহের যে সব অঙ্গ গুলো সব থেকে বেশি মূল্যবান হিসেবে ধরা হয় তার মধ্যে একটি হচ্ছে চোখ। আসলে মানুষর শরিরের কোন অংশই ছোট নয় , প্রত্যেকটাই অমূল্য। তবে চোখ একটি স্পর্শকাতর সংবেদনশীল অঙ্গ, যার সাহায্য আমার এই সুন্দর পৃথিবী দেখতে পাই, তার রূপ উপভোগ করি। চোখে দেখতে না পাওয়া মানুষের জীবনের সবচেয়ে বড় অভিশাপ। একটি পরিসংখ্যানে দেখা যায় বাংলাদেশে প্রায় ১৮ লক্ষ লোক অন্ধ যার প্রধান কারণগুলি নিম্নে বর্ণিত হলোঃ
বিভিন্ন রোগ
চোখে যে যে সমস্যা হতে পারে :
১। ছানিপড়া ২। দৃষ্টি শক্তি সমস্যা ৩। নেত্রনালী প্রদাহ ৪। কর্ণিয়ার আলসার
৫। গ্লকোমা ৬। ইউভিয়াইটিস ৬। চোখ টেরা
v আমি এখন কিছু রোগের কারন তুলে ধরছি :
১। ছানিপড়া
![]() |
health
tips, beauty tips & recipe |
চোখের কর্ণিয়া ও আইরিসের পিছনে অবস্থিত স্বচ্ছ লেন্স বার্ধক্য জনিত কারণে এবং অন্যান্য কারণে অস্বচ্ছ হয়। এই স্বচ্ছ লেন্স অস্বচ্ছ হওয়াকেই ছানিপাড়া রোগ বলে। যে সমস্ত কারণে চোখে ছানি পড়তে পারে :-
১। বয়স জনিত কারণে
২। আঘাত জতি কারণে
৩। ডায়াবেটিস রোগের কারণে
৪। ইউভিআইটিস (রোগের কারণে
৫। অনিয়ন্ত্রিত ষ্টেরয়েড ব্যবহারের কারণে
ছানি পড়ার লক্ষন :
ধীরে ধীরে দৃষ্টি ক্ষমতা লোপ পাওয়া, চশমার পাওয়ার পরিবর্তন হওয়া , আলোর চাদিকে রংধনু দেখা, একটি জিনিসকে দুই বা ততোধিক দেখা, দৃষ্টি সীমানায় কালোদ দাগ দেখা, আলোতে চোখ ঝাপসা হয়ে আসা ইত্যাদি ছানি রোগের লক্ষণ হতে পারে। ছানি রোগ হলে যে বিষয়টা মনে রাখতে হবে, কোন ঔষধ সেবনে ছানি রোগের প্রতিকার হয় না। অপারেশনের মাধ্যমে ছানি রোগের চিকিৎসা করতে হয়। এখন আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ রোগ নিয়ে আলোচনা করব , সেইটা হলে ,ইউভিয়াইটিস।
২। ইউভিয়াইটিসঃ
![]() |
health
tips, beauty tips & recipe |
চোখের পুষ্টি নিয়ন্ত্রণ করার জন্য রক্তনালী পূর্ণ একটি স্তর বা লেয়ার আছে, যাকে ইউভিয়া বা ভাসকুলার কোট বলা হয়। এই ভাসকুলার কোটের প্রদাহকে ইউভাইটিস বলা হয়। চোখে আঘাত, জীবাণুর সংক্রমন, কানেকটিভ টিস্যু বা যোজককলার রোগ ইত্যাদি কারণে এ রোগ হতে পারে। চোখে ব্যথা, চোখ লাল হওয়া, আলোতে না যেতে পারা, মাথাব্যথা, ঝাপসা দৃষ্টি ইত্যাদি এ রোগের লক্ষণ হতে পারে। শিশুদের ক্ষেত্রে রোগের লক্ষন অনেক দেরিতে বোঝা যায় বলে রোগ জটিলরূপ ধারণ করে। সময়মতো চিকিৎসা না করালে এ রোগের ফলে ছানি রোগ, চোখের উচ্চচাপ রোগ (গ্লুকোমা), রেটিনার রোগ ইত্যাদি কারণে চোখ অন্ধ হয়ে যেতে পারে। ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে এই রোগে ত্বরিত চিকিৎসা প্রয়োজন। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ঔষধ হোমাট্রপিন অথবা এট্রোপিন আইড্রপ যা দু-তিন বার ব্যবহার করে ব্যথা এবং প্রদাহ দু’টিই কমে। রোগের উপসর্গ এবং উপস্থাপনভেদে স্টেরয়েড এবং এন্টিবায়োটিক ড্রপ ব্যবহার করা যেতে পারে। অবশ্যই শরীরের অন্যান্য রোগের (যার সঙ্গে ইফভিয়াইটিস রোগের সম্পর্ক রয়েছে) চিকিৎসা করাতে হবে। প্রয়োজনে মেডিসিন রোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিতে হবে। মনে রাখতে হবে, ত্বরিত চিকিৎসায় এ রোগ সম্পূর্ণ ভালো হয়। এট্রোপিন আইড্রপ ব্যবহারের ফলে রোগী সাময়িক ঝাপসা দেখলেও পরবর্তীকালে ঔষধ বন্ধ করলে আবার ঠিক হয়ে যায়। ডাক্তারের পরামর্শ ব্যতিরেকে কোনো ঔষধ দেয়া বা বন্ধ করা যাবেনা এতে রোগ জটিল আকার ধারণ করতে পারে।
Brought
to you by health tips, beauty tips & recipe
আরো
জানতে ভিজিট করুন
health tips, beauty tips & recipe



No comments:
Post a Comment